দাওয়াহ · শিক্ষা · গবেষণাঅ্যাপ ডাউনলোড করুন ↗

মানচিত্রে ইতিহাস, ধাপে ধাপে।

নুজূম ম্যাপ কীভাবে ব্যবহার করবেন, এখন কী দেখা যায় এবং কোন সুবিধাগুলো পর্যায়ক্রমে যুক্ত হবে।

এখন ব্যবহার করা যায়

তিনটি পথে ইতিহাস দেখুন

নুজূম ম্যাপের বর্তমান সংগ্রহে ইসলামের বিস্তারের চিত্র, তিন পর্বের ইতিহাসের সময়রেখা এবং সাল ও অঞ্চলভিত্তিক বিশ্বমানচিত্র রয়েছে।

  1. বিশ্বমানচিত্র খুলে সাল লিখুন এবং খ্রিষ্টাব্দ বা হিজরি বেছে ‘দেখুন’ চাপুন।
  2. দেশ, অঞ্চল বা নগরের বাংলা নাম লিখে খুঁজুন। সরাসরি মানচিত্রে কোনো ভূখণ্ডেও চাপ দিতে পারেন।
  3. নির্বাচিত অঞ্চলের ঐতিহাসিক পরিচয় ও পাওয়া শাসন-বিবরণ পাশে খুলবে। মোবাইলে নিচের ‘ইতিহাস দেখুন’ বোতামটি ব্যবহার করুন।
  4. দুই আঙুল দিয়ে বা + ও − বোতামে বড়–ছোট করুন। মানচিত্র টেনে পাশে সরান। ঘরের চিহ্নে পুরো পৃথিবী দেখা যায়।
  5. নিচের সময়রেখা টেনে সাল বদলান। ▶ বোতামে সংরক্ষিত বিভিন্ন সালের মানচিত্র পর্যায়ক্রমে দেখুন।

স্থির চিত্র ও সময়রেখার ওপরের ‘পড়ার মাপ’, বড় করার বোতাম ও ‘পূর্ণ পর্দা’ ব্যবহার করে বিস্তারিত পড়তে পারবেন।

সাল আর সীমানার সাল একসঙ্গে পড়ুন

বর্তমানে খ্রিষ্টীয় ৬০০–১৯৮৫ এবং হিজরি ১–১৪০৬ সালের মধ্যে অনুসন্ধান করা যায়। সব বছরের সীমানা সংরক্ষিত নেই। ৬০০–১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দের ২৯টি নির্দিষ্ট সালের সীমানার মানচিত্র আছে। অন্য বছর লিখলে তার আগের নিকটতম উপলব্ধ সীমানা দেখানো হয়।

যেমন: ১২৫৮ খ্রিষ্টাব্দ খুঁজলে

বর্তমান সংগ্রহে তখন সীমানার জন্য ১২০০ সালের মানচিত্র আসে। পাশে পাওয়া ঐতিহাসিক বিবরণ আপনার নির্বাচিত ১২৫৮ সালের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। মানচিত্রের ওপর লেখা সীমানার সালটি তাই খেয়াল করুন।

খ্রিষ্টীয় ও হিজরি বছর পাশাপাশি দেখা যায়। একটি খ্রিষ্টীয় বছর দুই হিজরি বছরের অংশ ধারণ করতে পারে। গণনাভিত্তিক হিজরি রূপান্তরের সঙ্গে চাঁদ দেখার হিসাবে দিনের পার্থক্য হতে পারে।

একই অঞ্চলে একই সময়ে একাধিক শক্তির উপস্থিতি স্বাভাবিক। রঙিন সব অঞ্চল আধুনিক অর্থে দেশ নয়; রাষ্ট্র, জনপদ ও প্রভাববলয়ও রয়েছে।

বর্তমান দেশের নাম ও ঐতিহাসিক নাম

‘বর্তমান দেশের বাংলা নাম’ চালু থাকলে আজকের ভূগোল অনুযায়ী দেশ ও ভূখণ্ডের নাম দেখা যায়। এটি বন্ধ করলে উপলব্ধ ঐতিহাসিক নাম দেখা যায়। বর্তমান দেশের নাম কোনো পুরোনো রাষ্ট্রের সীমানা বোঝায় না।

পৃথিবী ছোট করে দেখলে নামের ভিড় কমানো হয়। অঞ্চলটি বড় করলে ছোট দেশ ও দ্বীপাঞ্চলের নামও পড়তে পারবেন। ‘ক’ বোতামে নামের লেখা দেখানো বা লুকানো যায়। কিছু ঐতিহাসিক নামের বাংলা পাঠ এখনো যাচাইাধীন।

এভাবে খুঁজে দেখতে পারেন

পরিকল্পনায় আছে · এখনো চালু নয়

নুজূম ম্যাপের পরবর্তী বিস্তার

আগে বর্তমান ইতিহাস, নাম ও সময়কালের সংশোধন সম্পন্ন করা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে নিচের সুবিধাগুলো যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বড় করলে বিস্তারিত ইতিহাস
বিশ্ব থেকে দেশ, অঞ্চল, জেলা, শহর ও নির্দিষ্ট স্থানে নামলে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, ঘটনা, প্রতিষ্ঠান ও নিদর্শন দেখা যাবে। সাল বদলালে সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ পাবে।
কাছের মসজিদ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ বিভিন্ন দেশে মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোঁজা যাবে। নিজের অবস্থানের অনুমতি দিয়ে অথবা এলাকার নাম লিখে অনুসন্ধান করার ব্যবস্থা থাকবে।
স্থানে পৌঁছানোর পথ
স্থানের পরিচিতি থেকে গুগল মানচিত্রের নির্দিষ্ট অবস্থান ও পথনির্দেশে যাওয়ার সংযোগ থাকবে—দেশে ও বিদেশে ভ্রমণকারীদের জন্য।
ব্যক্তি ও স্থানের সংযোগ
কোনো সাহাবী, আলেম বা ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব কোথায় জন্মেছেন, পড়েছেন, কাজ করেছেন বা সফর করেছেন—প্রমাণ পাওয়া সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট স্থানগুলো দেখা যাবে।
এক চাপে বিষয়ভিত্তিক চিহ্ন
সাহাবীদের সমাধি, আলেমদের সমাধি, মসজিদ বা অন্য শ্রেণি বেছে সংশ্লিষ্ট স্থানগুলো সবুজ চিহ্নে দেখা যাবে। একই স্থানে অনেক চিহ্ন হলে সংখ্যা ও বিস্তারিত তালিকা থাকবে।
ভ্রমণ ও কবর জিয়ারতের সহায়ক পরিচিতি
স্মৃতিবিজড়িত স্থান ও সমাধির ইতিহাস, পরিচয়ের প্রমাণ, বর্তমান অবস্থা ও পথনির্দেশ থাকবে। মক্কা-মদিনাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে যাচাইকৃত তথ্য যুক্ত হবে।
অবস্থান চালু না করেও খোঁজার পরিকল্পনা

এলাকার নাম লিখে বা মানচিত্রে জায়গা বেছে কাছের স্থান খোঁজা যাবে। নিজের অবস্থান ব্যবহারে অনুমতি চাওয়া হবে। সাধারণ অনুসন্ধানে বাধ্যতামূলক প্রবেশ-হিসাব রাখার পরিকল্পনা নেই।

ফরমটি পরবর্তী পর্যায়ে আসবে

নিজ এলাকার তথ্য যোগ করতে পারবেন

মসজিদ, মাদ্রাসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দর্শনীয় বা ঐতিহাসিক স্থানের ধরন বেছে একটি সংক্ষিপ্ত ফরমে চারটি তথ্য দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে:

  1. গুগল লোকেশনের সংযোগ
  2. স্থানের নাম
  3. ঠিকানা
  4. সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

জমা হওয়া তথ্য যাচাইয়ের পর প্রকাশ করা হবে। ভুল বা একই স্থানের একাধিক তথ্য পাওয়া গেলে সংশোধন হবে। ইতিহাস বা সমাধির পরিচয়সংক্রান্ত দাবির ক্ষেত্রে প্রমাণও পর্যালোচনা করা হবে। বর্তমানে এই ফরমে তথ্য জমা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু হয়নি।

তথ্য বুঝে ব্যবহার করুন

কোনো ভবন আজও আছে, পুনর্নির্মিত হয়েছে, বিলুপ্ত হয়েছে অথবা শুধু আনুমানিক অবস্থান জানা যায়—ভবিষ্যৎ স্থানের পরিচিতিতে এই পার্থক্য রাখা হবে। সমাধির পরিচয় নিয়ে মতভেদ বা লোকপ্রচলিত দাবি থাকলে সেটিও উল্লেখ থাকবে। সবুজ চিহ্ন কোনো দাবির নিশ্চয়তার সনদ হবে না।

বর্তমান তথ্যভান্ডার সারা বিশ্বের প্রতিটি শহর বা এলাকার সম্পূর্ণ ইতিহাস নয়। কোনো স্থানের তথ্য না পাওয়ার অর্থ সেখানে গুরুত্বপূর্ণ স্থান নেই—এমন নয়। ‘তথ্য ও উৎস’ বোতামে বর্তমান মানচিত্রের উৎস ও সীমানার ব্যাখ্যা পাওয়া যায়।

নির্দেশিকা হালনাগাদ: ২১ অক্টোবর ২০২৬